ইউআরসি প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা

0
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা সরাসরি, নিয়মিত এবং তাৎক্ষণিক ক্রমোন্নয়নের লক্ষ্যে কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে ঘনিষ্ট বা নিকটস্থ আর প্রতিষ্ঠান নেই।
  • বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের চাহিদা মেটাবার জন্য উপজেলা পর্যায়ে স্বল্পমেয়াদী চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ দেবার জন্য একটি কেন্দ্রের অনুপস্থিতি বিশেষভাবে অনুভূত হয়। ইউআরসি এই ঘাটতি পূরণে কার্যকরি ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে।
  • স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত সম্পদের (মানব সম্পদসহ) ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজন একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, যেটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মঙ্গলার্থে স্থানীয় সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
  • যেকোনো পদ্ধতি উন্নয়নে তথ্যজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ এবং বাস্তব সুযোগ সুবিধার মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় সাধন একান্ত প্রয়োজন। ইউআরসি স্থানীয় চাহিদা মেটাতে স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে।
  • শিক্ষার মান সম্পর্কে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন স্থানীয় পর্যায়ে করতে পারলে বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব। ইউআরসি’র মাধ্যমে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠনিক ব্যবস্থাপনা উন্নীত করা সম্ভব।
  • কেন্দ্রীভূত প্রশিক্ষণ পদ্ধতির বিকেন্দ্রীকরণ করে ইউআরসির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা যায়। স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরূপণ, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতকরণ, উপকরণ উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়িত করলে অর্থ ও সময় উভয়েরই সাশ্রয় হবে। এতে শিক্ষক এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পেশাগত উন্নয়ন অধিকতর বৃদ্ধি পাবে।
  • ইউআরসি শিক্ষক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ তথা সুশীল সমাজ এবং প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গকে এক কাতারে এনে শিক্ষার বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে চিন্তাভাবনা করতে সক্ষম হবে।
Share.

About Author

Leave A Reply